চিকিৎসার আগে জেনে নিন
ব্রেসেস ও অ্যালাইনার
দাঁত আঁকাবাঁকা, বেশি গাদাগাদি বা ফাঁকা হলে শুধু হাসি নয়, দাঁত পরিষ্কার রাখা ও কামড়ের ক্ষেত্রেও অসুবিধা হতে পারে। ব্রেসেস বা স্বচ্ছ অ্যালাইনার দিয়ে ধীরে ধীরে দাঁতের অবস্থান পরিবর্তন করা যায়।
চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
- দাঁত গাদাগাদি, ঘোরানো, ফাঁকা কিংবা সামনের দিকে বেরিয়ে থাকা
- ওপর-নিচের দাঁত ঠিকভাবে না মেলা
- স্থায়ী ব্রেসেস নাকি খোলা যায় এমন অ্যালাইনার—কোনটি ভালো, তা জানতে চাওয়া
চিকিৎসার ধাপগুলো কেমন
- দাঁত, মাড়ি ও কামড় পরীক্ষা; প্রয়োজনে এক্স-রে বা ছাপ নেওয়া
- কী পরিবর্তন সম্ভব, কোন পদ্ধতি ভালো, পরিষ্কার রাখা ও সম্ভাব্য সময় নিয়ে আলোচনা
- নিয়মিত ফলোআপ এবং শেষে দাঁত ধরে রাখতে রিটেইনার ব্যবহার
চিকিৎসার পর যত্ন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
ব্রেসেসের চারপাশ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন, অ্যালাইনার ব্যবহারের নিয়ম মানুন এবং চিকিৎসকের নিষেধ করা শক্ত বা আঠালো খাবার এড়িয়ে চলুন। চিকিৎসা শেষে সাধারণত রিটেইনার লাগে।
আপনার মনে যে প্রশ্নগুলো আসতে পারে
বড়দেরও কি ব্রেসেস দেওয়া যায়?
মুখের স্বাস্থ্য ও প্রয়োজন অনুযায়ী বড়দেরও ব্রেসেসের চিকিৎসা হতে পারে।
সবার চিকিৎসায় কি একই সময় লাগে?
না। দাঁতের অবস্থা, কামড়ের জটিলতা ও নিয়ম মেনে চলার ওপর সময় নির্ভর করে।
দাঁতের সমস্যা নিয়ে কথা বলুন।
সঠিক চিকিৎসা ও খরচ জানতে আগে দাঁত পরীক্ষা প্রয়োজন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও খোলার সময় নিশ্চিত করতে ফোন করুন।